ব্যবহারের নির্দেশিকা
কোনো প্রযুক্তিগত জ্ঞান ছাড়াই যে কেউ এই ধাপগুলো দেখে সাইটটি ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতিটি বোতামের নাম হুবহু সেভাবেই লেখা, যেভাবে পর্দায় দেখবেন।
১. কে কী করতে পারবেন
এই সাইটে চার ধরনের ব্যবহারকারী। কোনো ভূমিকা "চেয়ে নিতে" হয় না — আপনি যা করবেন, সেই অনুযায়ী নিজে থেকেই বদলে যায়।
| ভূমিকা | কী করতে পারেন | কীভাবে হন |
|---|---|---|
| দর্শক | মাদ্রাসা খোঁজা, ছাঁকনি, তুলনা, মানচিত্র, চাকরির বিজ্ঞপ্তি ও প্রার্থীর তালিকা দেখা | লগইন লাগে না — সবাই |
| নিবন্ধিত ব্যবহারকারী | উপরের সব, সাথে চাকরির প্রোফাইল খোলা ও এক ক্লিকে আবেদন | নিজে নিবন্ধন করলেই |
| মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ | নিজের প্রতিষ্ঠানের তথ্য সম্পাদনা | দায়িত্বের আবেদন এডমিন অনুমোদন করলে |
| সুপার এডমিন | অনুমোদন, ব্যবহারকারী, আবেদন, সংখ্যা — সবকিছু | সাইটের মালিক, একজনই |
লগইন ছাড়াই সাইটের প্রায় সবকিছু দেখা যায়। অ্যাকাউন্ট কেবল দুটো কাজে লাগে — চাকরিতে আবেদন করা, আর নিজের প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নেওয়া।
২. মাদ্রাসা খোঁজা
- 1উপরের খোঁজ-ঘরে অন্তত দুই অক্ষর লিখুন। বাংলা বা ইংরেজি হরফ — দুটোই চলে (hathazari লিখলেও হাটহাজারীর মাদ্রাসা আসে)।
- 2লেখার সাথে সাথে নিচে পরামর্শের তালিকা নামবে — উপরে সর্বোচ্চ ৩টি জেলা, নিচে ৭টি মাদ্রাসা। তীর-কী দিয়ে বেছে Enter, বা মাউসে ক্লিক।
- 3পরামর্শ না নিয়ে মাদ্রাসা খুঁজুন চাপলে পুরো ফলাফলের তালিকা আসে। পাশের চাকরি খুঁজুন একই লেখা দিয়ে চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে খোঁজে।
- 4বাঁ পাশের ফিল্টার দিয়ে সরু করুন — বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ধরন, ছাত্র/ছাত্রী, আবাসিক, বোর্ড, মাসিক খরচ, প্রতিষ্ঠাকাল ও সুযোগ-সুবিধা। প্রতিটি অপশনের পাশে কতটি প্রতিষ্ঠান আছে তা লেখা থাকে।
- 5ভুল হলে ফলাফলের উপরের চিপে ক্রস চেপে একটা একটা সরান, বা সব ফিল্টার মুছুন চাপুন।
- 6দুই বা তিনটি কার্ডে তুলনা টিক দিয়ে তুলনা করুন চাপলে পাশাপাশি ১২টি বিষয়ের তুলনা দেখা যায়।
ডিফল্ট ক্রম "ছাত্রসংখ্যা বেশি" — বড় প্রতিষ্ঠান আগে। উপরের সাজান দিয়ে নাম, প্রতিষ্ঠাকাল বা খরচ অনুযায়ী বদলানো যায়।
কার্ডের হার্ট আইকন শুধু আপনার এই ব্রাউজারে জমা থাকে — সার্ভারে যায় না, অন্য ফোনে দেখা যায় না, আর জমানো তালিকাটা একসাথে দেখার কোনো পাতাও নেই। ব্রাউজারের ডেটা মুছলে হারিয়ে যাবে।
যাচাইকৃত ব্যাজের মানে নির্দিষ্ট: কাগজপত্র দেখে নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকি প্রতিষ্ঠানের তথ্য সরকারি নিবন্ধন (EIIN) ও উন্মুক্ত সূত্র থেকে নেওয়া — ভুল থাকতে পারে।
৩. অ্যাকাউন্ট খোলা ও লগইন
- 1উপরের পট্টিতে আমার অ্যাকাউন্ট চাপুন। (ছোট পর্দায় পট্টিটা লুকানো থাকে — তখন ফুটারের লিংক ব্যবহার করুন।)
- 2লগইন পাতার নিচে অ্যাকাউন্ট খুলুন চেপে নিবন্ধনে যান।
- 3ঘরগুলো পূরণ করুন — পূর্ণ নাম, মোবাইল নম্বর, ইমেইল, জেলা (ঐচ্ছিক), পাসওয়ার্ড ও পাসওয়ার্ড আবার লিখুন। তারপর নিবন্ধন করুন।
- 4নিবন্ধনের পর নিজে থেকে লগইন হয় না — লগইন পাতায় ফিরে প্রবেশ করুন চাপতে হবে।
- 5লগইনের প্রথম ঘরে মোবাইল নম্বর অথবা ইমেইল — যেকোনো একটা। আলাদা করে বেছে নিতে হয় না।
| নিয়ম | বিস্তারিত |
|---|---|
| মোবাইল ও ইমেইল | দুটোই বাধ্যতামূলক, আর দুটোই অদ্বিতীয় — এক নম্বরে একটাই অ্যাকাউন্ট |
| মোবাইলের ধরন | 01 দিয়ে শুরু ১১ অঙ্ক। +880, ফাঁকা বা হাইফেন থাকলে নিজে থেকেই ছেঁটে নেওয়া হয় |
| পাসওয়ার্ড | কমপক্ষে ৪ অক্ষর — এটাই একমাত্র শর্ত |
| লগইন কতদিন থাকে | ৩০ দিন। ব্রাউজার বন্ধ করলেও যায় না |
| পাসওয়ার্ড বদলালে | আপনার অন্য সব ডিভাইস থেকে লগআউট হয়ে যাবে |
এক মিনিটে ১০ বারের বেশি চেষ্টা করলে সাময়িকভাবে আটকে যাবে — "অল্প সময়ে অনেকবার চেষ্টা হয়েছে"। এক মিনিট অপেক্ষা করলেই আবার চলবে।
এডমিন আপনার পাসওয়ার্ড হুবহু দেখতে পান। এটা ইচ্ছাকৃত — পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে তিনি ফোন করে বলে দিতে পারেন। তাই ব্যাংক বা ইমেইলের পাসওয়ার্ড এখানে দেবেন না, আলাদা একটা দিন।
৪. পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে
এখানে স্বয়ংক্রিয় রিসেট নেই। কোনো লিংক ইমেইলে আসে না, কোনো OTP বা কোড SMS-এ আসে না। কারণ সাইটে এখনো SMS গেটওয়ে যুক্ত করা হয়নি।
- 1লগইন পাতার নিচে পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? চাপুন।
- 2আপনার নাম ও মোবাইল নম্বর দিন (দুটোই আবশ্যক)। ইমেইল ও কিছু বলার থাকলে ঘর দুটো ঐচ্ছিক।
- 3এডমিনকে পাঠান চাপুন। অনুরোধটি এডমিনের কাছে জমা হবে ও তাঁর ইমেইলে খবর যাবে।
- 4এডমিন যাচাই করে আপনাকে ফোন করে পাসওয়ার্ডটি জানিয়ে দেবেন।
অনুরোধ কখনো হারায় না — মেইল পাঠানো ব্যর্থ হলেও এডমিনের তালিকায় সেটি জমা থাকে। ভুল নম্বর দিলেও অনুরোধটি জমা হয়, এডমিন তখন দেখেন "কোনো অ্যাকাউন্ট মেলেনি"।
৫. চাকরি খুঁজছেন?
আবেদন করতে হলে আগে একবার চাকরির প্রোফাইল খুলতে হয়। এরপর যেকোনো বিজ্ঞপ্তিতে এক ক্লিকেই আবেদন হয়ে যায় — প্রতিবার নাম-ঠিকানা টাইপ করতে হয় না।
- 1লগইন করে হেডারের সোনালি চাকরি আবেদন করুন বোতাম চাপুন (বা ড্যাশবোর্ডের "চাকরির প্রোফাইল" কার্ড)।
- 2পরিচয় — প্রোফাইল ছবি, পূর্ণ নাম, মোবাইল, ইমেইল, লিঙ্গ, জন্মসাল।
- 3ঠিকানা — বিভাগ, জেলা (আবশ্যক), উপজেলা, বিস্তারিত ঠিকানা।
- 4যোগ্যতা ও পছন্দ — যে পদে চাকরি চান (১৩টি বিকল্প: শিক্ষক, হিফজ শিক্ষক, নূরানী শিক্ষক, আরবি শিক্ষক, মুফতি, মুহাদ্দিস, ইমাম, মুয়াজ্জিন, মুহতামিম, অফিস ও প্রশাসন, হিসাবরক্ষক, কেয়ারটেকার, অন্যান্য), চাকরির ধরন, অভিজ্ঞতা, প্রত্যাশিত বেতন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতা।
- 5চাইলে সিভি ফাইল দিন — PDF বা ছবি, সর্বোচ্চ ১ MB।
- 6মেয়াদ বাছুন — ১৫ দিন থেকে ১ বছর (ডিফল্ট ৩০ দিন)। তারপর সেভ করে লাইভ করুন।
কোনো অনুমোদনের অপেক্ষা নেই — সেভ করলেই প্রোফাইল সাথে সাথে সিভি ব্যাংকে দেখা যায়।
ছবি ছাড়া প্রোফাইল লাইভ হয় না। ছবিহীন কার্ড নিয়োগদাতার চোখেই পড়ে না, তাই এটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
আবেদন করা
বিজ্ঞপ্তির পাতায় ডানদিকের বাক্সে আমার প্রোফাইল দিয়ে আবেদন বোতাম। এক ক্লিকে আপনার নাম, মোবাইল, ঠিকানা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও সিভির লিংক প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে যাবে।
| বাক্সে যা দেখবেন | মানে |
|---|---|
| লগইন করে আবেদন | আপনি এখনো লগইন করেননি |
| প্রোফাইল খুলুন | লগইন আছে, কিন্তু চাকরির প্রোফাইল খোলা হয়নি |
| আমার প্রোফাইল দিয়ে আবেদন | সব প্রস্তুত — চাপলেই আবেদন হয়ে যাবে |
| আপনি এই বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করেছেন | আগেই আবেদন করা হয়ে গেছে |
| আবেদনের সময় শেষ | শেষ তারিখ পেরিয়ে গেছে |
নিজের আবেদনগুলো ড্যাশবোর্ডের নিচে "আমার আবেদন" ছকে দেখা যায় (সর্বশেষ ১০টি)। একই বিজ্ঞপ্তিতে দুবার আবেদন হয় না।
মেয়াদ ও নবায়ন
মেয়াদ শেষ হলে প্রোফাইল মুছে যায় না — শুধু পাবলিক তালিকা থেকে সরে যায়। আবার লাইভ করুন চাপলে সব তথ্যসহ ফিরে আসে। সাময়িকভাবে লুকাতে চাইলে সাইট থেকে সরান।
"কারা আপনার প্রোফাইল দেখেছেন" বাক্সে সর্বশেষ ২০ জন নিয়োগদাতার নাম ও প্রতিষ্ঠান দেখা যায়। একই ব্যক্তি দিনে একবারই গোনা হয়, আর নিজে দেখলে গণনা বাড়ে না।
৬. নিজের মাদ্রাসার দায়িত্ব নেওয়া
দুটো পথ — প্রতিষ্ঠানটি তালিকায় আছে, নাকি নেই।
ক · তালিকায় আছে — দায়িত্বের আবেদন
- 1লগইন করে ড্যাশবোর্ডের "আমার মাদ্রাসা" কার্ড থেকে মাদ্রাসা নির্বাচন করুন চাপুন।
- 2নাম লিখে খুঁজুন — বাংলা বা ইংরেজি হরফে (
nanupur,hathazari)। পাশের এটাই আমার প্রতিষ্ঠান চাপুন। - 3ফরম পূরণ — প্রতিষ্ঠানে আপনার পদবি, যোগাযোগের নম্বর, সংক্ষেপে আপনার বক্তব্য, আর প্রমাণপত্র (নিয়োগপত্র, প্যাডে প্রত্যয়নপত্র, NID)।
- 4আবেদন জমা দিন। এডমিন কাগজপত্র যাচাই করে অনুমোদন দিলে আপনি ঐ প্রতিষ্ঠানের তথ্য সম্পাদনা করতে পারবেন।
যে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব আগেই কেউ নিয়েছেন, তার পাশে বোতামের বদলে "দায়িত্ব নেওয়া হয়ে গেছে" লেখা থাকবে — একটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব একজনেরই।
খ · তালিকায় নেই — নতুন প্রতিষ্ঠান যোগ
- 1বাছাই পাতার নিচে "তালিকায় আপনার প্রতিষ্ঠান নেই?" বাক্সের বোতাম চাপুন।
- 2প্রতিষ্ঠানের নাম (বাংলা) ও নাম (ইংরেজি) — দুটোই আবশ্যক। ওয়েব-ঠিকানাটা ইংরেজি নাম থেকেই তৈরি হয়।
- 3ধরন, বিভাগ ও জেলা বাছুন (আবশ্যক)। উপজেলা, প্রতিষ্ঠার সাল, ঠিকানা ঐচ্ছিক।
- 4মানচিত্রে পিন বসান (ঐচ্ছিক, কিন্তু দিলে মানুষ সহজে খুঁজে পায়), সুযোগ-সুবিধায় টিক দিন, আর একটি ছবি দিন।
- 5জমা দিন। প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকবে — এডমিন অনুমোদন দেওয়ার আগে সাইটের কোথাও দেখা যাবে না।
অনুমোদন হয়েছে কি না জানতে নিজে গিয়ে দেখুন — "আমার মাদ্রাসা" পাতায় ব্যাজটা বদলে যাবে। এই ধাপে ইমেইল যায় না, তাই মেইলের অপেক্ষা করবেন না।
নতুন প্রতিষ্ঠানের ফরমের "প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে" লেখাটি এডমিনের জন্য একটি নোট হিসেবে যায় — পাবলিক পাতায় বসে না। অনুমোদনের পর পরিচিতিটা নিজের প্যানেল থেকে আবার লিখতে হবে।
প্রতিষ্ঠার সাল ভুল আকারে বা সীমার বাইরে লিখলে কোনো ভুল-বার্তা ছাড়াই ফাঁকা থেকে যায়। জমা দেওয়ার পর সালটা একবার মিলিয়ে দেখে নিন। মানচিত্রের পিন বাংলাদেশের বাইরে পড়লেও একই — নীরবে বাদ যায়।
অনুমোদনের পর
আপনি ঐ প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ হয়ে যাবেন। "আমার মাদ্রাসা" পাতার সম্পাদনার বোতাম আপনাকে নিজের প্রতিষ্ঠানের প্যানেলে নিয়ে যাবে, যেখানে পরিচিতি, ইতিহাস, শিক্ষকমণ্ডলী, বিভাগ, ভর্তি তথ্য, ছবি ও যোগাযোগ — সব বদলানো যায়।
ওয়েব-ঠিকানাটা (URL) কখনো বদলায় না, ইংরেজি নাম বদলালেও নয় — নইলে ছড়িয়ে থাকা পুরনো লিংক ও Google-এর ইনডেক্স ভেঙে যেত।
৭. শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিতে চান?
এখনো সাইটে নিজে বিজ্ঞপ্তি জমা দেওয়ার ফরম নেই। বিজ্ঞপ্তি বসানো হয় এডমিনের মাধ্যমে।
বিজ্ঞপ্তি দিতে [email protected] ঠিকানায় লিখুন। যা যা জানালে সবচেয়ে ভালো হয়:
- পদের নাম ও পদসংখ্যা
- প্রতিষ্ঠানের নাম — এবং সেটি এই ডিরেক্টরিতে থাকলে তার লিংক
- জেলা ও উপজেলা
- বেতন ও অভিজ্ঞতার চাহিদা
- যোগাযোগের ইমেইল — আবেদনগুলো এই ঠিকানাতেই পৌঁছাবে
- আবেদনের শেষ তারিখ
যোগাযোগের ইমেইল না দিলে আবেদনগুলো সাইট-এডমিনের ঠিকানায় যাবে, আপনি সরাসরি জানতে পারবেন না। আর প্রতিষ্ঠানটি ডিরেক্টরির সাথে যুক্ত না থাকলে SMS পাঠানোও সম্ভব হয় না — তাই এই দুটো তথ্যই সবচেয়ে জরুরি।
শেষ তারিখ পেরোলে বিজ্ঞপ্তিটি নিজে থেকেই তালিকা থেকে সরে যায়। শেষ তারিখ না দিলে সেটি নিজে থেকে কখনো বন্ধ হয় না।
৮. নিয়ম, সীমা ও সতর্কতা
| বিষয় | সীমা / নিয়ম |
|---|---|
| যেকোনো ফাইল আপলোড | সর্বোচ্চ ১ MB — ছবি ও সিভি দুটোতেই এক |
| ছবির ধরন | JPG, PNG বা WebP |
| সিভি / কাগজপত্র | উপরের তিনটি, সাথে PDF |
| দায়িত্বের আবেদনে কাগজ | এক জমায় সর্বোচ্চ ৮টি |
| লগইন / নিবন্ধন চেষ্টা | মিনিটে ১০ বার |
| তুলনা | একসাথে সর্বোচ্চ ৩টি মাদ্রাসা |
| তালিকার প্রতি পাতা | ২৪টি কার্ড |
ফাইল বেশি বড় হলে সার্ভারের পুরনো একটি বার্তা "সর্বোচ্চ আকার ৫০০ কিলোবাইট" দেখাতে পারে। আসল সীমা ১ MB — লেখাটা এখনো হালনাগাদ হয়নি, বিভ্রান্ত হবেন না।
✅ যা করবেন
- এই সাইটের জন্য আলাদা একটা পাসওয়ার্ড দিন
- মোবাইল ও ইমেইল দুটোই সঠিক দিন — পাসওয়ার্ড ফিরে পাওয়ার একমাত্র পথ ঐটাই
- জমা দেওয়ার পর তথ্যগুলো একবার মিলিয়ে দেখুন (বিশেষত সাল ও সংখ্যা)
- ছবি আপলোডের আগে ছোট করে নিন
❌ যা করবেন না
- ব্যাংক বা ইমেইলের পাসওয়ার্ড এখানে ব্যবহার করবেন না
- অন্যের প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব দাবি করবেন না — কাগজপত্র যাচাই হয়
- একই প্রতিষ্ঠান দুবার যোগ করবেন না, আগে খুঁজে দেখুন
৯. যা এখনো করা যায় না
ভুল আশা নিয়ে সময় নষ্ট না হোক — এই কাজগুলো সাইটে নেই:
- নিজে নিজে পাসওয়ার্ড রিসেট — কোনো লিংক বা OTP আসে না, এডমিন নিজে ব্যবস্থা নেন
- নিজে চাকরির বিজ্ঞপ্তি জমা দেওয়া — ইমেইলে যোগাযোগ করতে হয়
- নিজের প্রতিষ্ঠানে আসা আবেদনের তালিকা সাইটে দেখা — আবেদন সরাসরি আপনার ইমেইলে যায়
- চাকরির প্রোফাইল স্থায়ীভাবে মোছা — কেবল "সাইট থেকে সরান" করা যায়
- আপলোড করা ফাইল সরানো — কেবল নতুন ফাইল দিয়ে বদলানো যায়
- পছন্দের তালিকা (হার্ট) একসাথে দেখা — জমা হয়, কিন্তু দেখার পাতা নেই
- তুলনার ফল সংরক্ষণ বা শেয়ার — পাতা বদলালেই বাছাই মুছে যায়
১০. সাহায্য
কোনো সমস্যা, ভুল তথ্য বা প্রশ্ন থাকলে লিখুন —
মাদ্রাসার তথ্যে ভুল দেখলে জানাতে পারেন, অথবা নিজেই দায়িত্ব নিয়ে ঠিক করে নিতে পারেন — ৬ নম্বর অংশ দেখুন।